নেপাল ট্যুর প্যাকেজ ২০২৬
কাঠমান্ডু • নাগরকোট • পোখারা • ঘানদ্রুক • চিতওয়ান — হিমালয়ের কোলে অবিস্মরণীয় ভ্রমণ
নেপাল মানেই বরফাবৃত হিমালয়ের রাজকীয় দৃশ্য, প্রাচীন দরবার স্কয়ার, শান্ত ফেওয়া লেক আর সারাংকোটের অবিস্মরণীয় সূর্যোদয়। বাজেট ও সময় অনুযায়ী আমাদের ৯টি সাজানো নেপাল ট্যুর প্যাকেজ থেকে বেছে নিন আপনার পছন্দেরটি — প্রতিটিতে রয়েছে বিস্তারিত দিনভিত্তিক ভ্রমণসূচি, হোটেল তথ্য ও অন্তর্ভুক্ত/বহির্ভূত সুবিধার তালিকা।
প্যাকেজ তালিকা
- কাঠমান্ডু – নাগরকোট (৩ রাত ৪ দিন) — ১৭,৫০০৳
- কাঠমান্ডু – পোখারা (৪ রাত ৫ দিন) — ১৯,০০০৳
- কাঠমান্ডু – নাগরকোট – পোখারা (৪ রাত ৫ দিন) — ২৬,০০০৳
- কাঠমান্ডু – পোখারা, চন্দ্রগিরি হিলস সহ (৪ রাত ৫ দিন) — ২৭,০০০৳
- কাঠমান্ডু – নাগরকোট – পোখারা (৫ রাত ৬ দিন) — ২৫,০০০৳
- কাঠমান্ডু – পোখারা – ঘানদ্রুক (৫ রাত ৬ দিন) — ৩৩,০০০৳
- কাঠমান্ডু – পোখারা – চিতওয়ান জঙ্গল সাফারি (৬ রাত ৭ দিন) — ৩৮,৭০০৳
- কাঠমান্ডু – নাগরকোট – পোখারা, স্ট্যান্ডার্ড (৬ রাত ৭ দিন) — ২৬,০০০৳
- কাঠমান্ডু – নাগরকোট – পোখারা, এক্সটেন্ডেড (৭ রাত ৮ দিন) — ২৮,০০০৳
সম্পূর্ণ ভ্রমণসূচি দেখুন
দিন ১: কাঠমান্ডু আগমন ও নাগরকোট স্থানান্তর
ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আগমন, প্রতিনিধির অভ্যর্থনা, নাগরকোট যাত্রা (১.৫–২ ঘণ্টা), হোটেলে চেক-ইন, নাগরকোট ভিউ টাওয়ার থেকে হিমালয়ের সূর্যাস্ত উপভোগ, নাগরকোটে রাত্রিযাপন।
দিন ২: নাগরকোট সূর্যোদয় ও ভক্তপুর দর্শন
এভারেস্ট ও লাংটাং রেঞ্জের সূর্যোদয় দর্শন, নাগরকোট ভিউ টাওয়ার, ভক্তপুর দরবার স্কয়ার (ইউনেস্কো হেরিটেজ) — নিয়াতাপোলা মন্দির, ৫৫-জানালা প্রাসাদ, পটারি স্কয়ার, নেওয়ারি সংস্কৃতি উপভোগ, কাঠমান্ডুতে ফিরে হোটেলে চেক-ইন, থামেলে অবসর সময়, কাঠমান্ডুতে রাত্রিযাপন।
দিন ৩: হাফ ডে কাঠমান্ডু সাইটসিয়িং
স্বয়ম্ভুনাথ স্তূপ (মাংকি টেম্পল), পশুপতিনাথ মন্দির, বৌদ্ধনাথ স্তূপ, কাঠমান্ডু দরবার স্কয়ার — কাঠমান্ডুতে রাত্রিযাপন।
দিন ৪: কাঠমান্ডু থেকে প্রস্থান
নাস্তার পর কেনাকাটা বা বিশ্রাম, বিমানবন্দরে ট্রান্সফার।
অন্তর্ভুক্ত
- ২ রাত কাঠমান্ডু (নাস্তাসহ)
- ১ রাত নাগরকোট (নাস্তাসহ)
- কাঠমান্ডু ও নাগরকোট সাইটসিয়িং
- প্রাইভেট গাড়িতে সব ট্রান্সফার
- চালক-গাইড
বহির্ভূত
- দুপুর ও রাতের খাবার
- ব্যক্তিগত খরচ ও টিপস
- এয়ার টিকেট
- হেরিটেজ সাইট প্রবেশ ফি
সম্পূর্ণ ভ্রমণসূচি দেখুন
দিন ১: কাঠমান্ডু আগমন ও সাইটসিয়িং
বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা ও হোটেল ট্রান্সফার, ট্যুর ব্রিফিং, কাঠমান্ডু দরবার স্কয়ার ও স্বয়ম্ভুনাথ স্তূপ দর্শন, কাঠমান্ডুতে রাত্রিযাপন।
দিন ২: পোখারার পথে যাত্রা (২০০ কিমি, ৮–৯ ঘণ্টা)
সকাল ৬:৩০টায় বাস স্টেশনের উদ্দেশে রওনা, মনোরম পথে পোখারা যাত্রা (রাস্তা নির্মাণাধীন থাকায় সময় বেশি লাগতে পারে), লেকসাইড এলাকায় সন্ধ্যা উপভোগ, পোখারায় রাত্রিযাপন।
দিন ৩: সারাংকোট সূর্যোদয় ও পোখারা সাইটসিয়িং
ভোর ৫:৩০টায় সারাংকোটে আনাপূর্ণা রেঞ্জের সূর্যোদয় দর্শন, ফেওয়া লেকে বোটিং (তাল বারাহি মন্দির), সেতি গর্জ, গুপ্তেশ্বর গুহা, দেবীর ফলস দর্শন, পোখারায় রাত্রিযাপন।
দিন ৪: কাঠমান্ডুতে ফিরে আসা
সকাল ৭টায় বাস স্টেশনের উদ্দেশে রওনা, একই মনোরম পথে কাঠমান্ডু ফেরা, থামেলে অবসর সময়, কাঠমান্ডুতে রাত্রিযাপন।
দিন ৫: কাঠমান্ডু থেকে প্রস্থান
স্বস্তির সকাল ও নাস্তা, ফ্লাইটের ৩ ঘণ্টা আগে বিমানবন্দরে ট্রান্সফার।
অন্তর্ভুক্ত
- এয়ারপোর্ট পিকআপ ও ড্রপ
- খাদা/মালা সহ ঐতিহ্যবাহী নেপালি অভ্যর্থনা
- ২ রাত কাঠমান্ডু + ২ রাত পোখারা (নাস্তাসহ, টুইন/ট্রিপল শেয়ারিং)
- প্রাইভেট গাড়িতে সাইটসিয়িং
- কাঠমান্ডু–পোখারা–কাঠমান্ডু ট্যুরিস্ট কোচ
বহির্ভূত
- এয়ারফেয়ার ও ভিসা ফি
- দুপুর ও রাতের খাবার
- কেবল কার টিকেট, গাইড, জিপ লাইন
- হেরিটেজ সাইট প্রবেশ ফি
সম্পূর্ণ ভ্রমণসূচি দেখুন
দিন ১: কাঠমান্ডু আগমন – নাগরকোট স্থানান্তর
বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা, নাগরকোট যাত্রা (১.৫–২ ঘণ্টা), হোটেলে চেক-ইন, হিমালয়ের সূর্যাস্ত উপভোগ, নাগরকোটে রাত্রিযাপন।
দিন ২: নাগরকোট সূর্যোদয় – পোখারা যাত্রা
হিমালয়ের সূর্যোদয় দর্শন, নাস্তার পর পোখারার পথে যাত্রা (৮–৯ ঘণ্টা), লেকসাইড এলাকায় সন্ধ্যা উপভোগ, পোখারায় রাত্রিযাপন।
দিন ৩: সারাংকোট সূর্যোদয় – পোখারা সাইটসিয়িং
ভোর ৫:৩০টায় সারাংকোটে আনাপূর্ণা ও ধৌলাগিরি রেঞ্জের সূর্যোদয়, ফেওয়া লেক বোটিং, সেতি নদীর গর্জ, গুপ্তেশ্বর মহাদেব গুহা, দেবীর ফলস, পোখারায় রাত্রিযাপন।
দিন ৪: কাঠমান্ডুতে ফিরে আসা – থামেলে সন্ধ্যা
নাস্তার পর কাঠমান্ডু ফেরা (৮–৯ ঘণ্টা), থামেলের জমজমাট রাস্তায় অবসর সময়, কাঠমান্ডুতে রাত্রিযাপন।
দিন ৫: প্রস্থান
শান্ত সকাল ও নাস্তা, ফ্লাইটের অন্তত ৩ ঘণ্টা আগে বিমানবন্দরে ট্রান্সফার।
অন্তর্ভুক্ত
- এয়ারপোর্ট পিকআপ/ড্রপ, খাদা/মালা অভ্যর্থনা
- ১ রাত কাঠমান্ডু + ১ রাত নাগরকোট + ২ রাত পোখারা (নাস্তাসহ)
- ইটিনারারি অনুযায়ী সব সাইটসিয়িং প্রাইভেট গাড়িতে
- কাঠমান্ডু–পোখারা–কাঠমান্ডু প্রাইভেট ভেহিকেলে
বহির্ভূত
- এয়ার টিকেট
- প্রবেশ ফি ও অ্যাক্টিভিটি চার্জ
- প্যাকেজের বাইরের খাবার
- অতিরিক্ত গাড়ি ব্যবহার, ব্যক্তিগত খরচ
সম্পূর্ণ ভ্রমণসূচি দেখুন
দিন ১: কাঠমান্ডু আগমন
এয়ারপোর্টে অভ্যর্থনা (খাদা/মালা), হোটেলে চেক-ইন, সন্ধ্যায় স্বাধীন ভ্রমণ বা ক্লাবিং, কাঠমান্ডুতে রাত্রিযাপন।
দিন ২: কাঠমান্ডু থেকে পোখারা (চন্দ্রগিরি হিলস হয়ে)
নাস্তার পর পোখারার পথে যাত্রা, পথে চন্দ্রগিরি হিলস কেবল কার (ঐচ্ছিক, নিজ খরচে) থেকে উপত্যকা ও পাহাড়ের দৃশ্য, ইচ্ছা করলে জিপলাইন (ঐচ্ছিক), পোখারায় হোটেলে চেক-ইন, রাত্রিযাপন।
দিন ৩: সারাংকোট সূর্যোদয় ও পোখারা সাইটসিয়িং
ভোর ৫টায় সারাংকোট থেকে আনাপূর্ণা, মাছাপুছারে, ধৌলাগিরি রেঞ্জের সূর্যোদয়, নাস্তার পর দেবীর ফলস, গুপ্তেশ্বর গুহা, ওয়ার্ল্ড পিস প্যাগোডা, ফেওয়া লেকসাইডে কেনাকাটা, পোখারায় রাত্রিযাপন।
দিন ৪: পোখারা থেকে কাঠমান্ডু
নাস্তার পর কাঠমান্ডু ফেরা, পথে স্বয়ম্ভুনাথ স্তূপ ও পাটান দরবার স্কয়ার দর্শন, কাঠমান্ডুতে রাত্রিযাপন।
দিন ৫: প্রস্থান
নাস্তার পর ফ্লাইট সময়সূচি অনুযায়ী বিমানবন্দরে ড্রপ।
অন্তর্ভুক্ত
- পিকআপ ও ড্রপ, আগমনে ওয়েলকাম ড্রিংক
- ২ রাত কাঠমান্ডু + ২ রাত পোখারা (৩ স্টার, নাস্তাসহ)
- প্রাইভেট এসি গাড়িতে সব ট্রান্সপোর্ট ও সাইটসিয়িং
- পার্কিং, টোল ফি ও স্থানীয় ট্যাক্স
বহির্ভূত
- এয়ারফেয়ার ও ভিসা ফি
- দুপুর ও রাতের খাবার
- কেবল কার, জিপ লাইন, গাইড
- হেরিটেজ সাইট প্রবেশ ফি
সম্পূর্ণ ভ্রমণসূচি দেখুন
দিন ১: কাঠমান্ডু আগমন – সাইটসিয়িং
বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা, হোটেলে চেক-ইন, ব্রিফিং, কাঠমান্ডু দরবার স্কয়ার ও স্বয়ম্ভুনাথ স্তূপ হাফ-ডে সাইটসিয়িং, কাঠমান্ডুতে রাত্রিযাপন।
দিন ২: কাঠমান্ডু থেকে পোখারা (৮–৯ ঘণ্টা)
ভোর ৫টায় বাস স্টেশনের উদ্দেশে রওনা, সকাল ৬:৩০টায় যাত্রা শুরু, উপত্যকা-নদী-ধানক্ষেতের দৃশ্য উপভোগ, লেকসাইডের প্রাণবন্ত পরিবেশে সন্ধ্যা, পোখারায় রাত্রিযাপন।
দিন ৩: সারাংকোট সূর্যোদয় ও পোখারা সাইটসিয়িং
ভোর ৫:৩০টায় সারাংকোটে আনাপূর্ণা রেঞ্জের সূর্যোদয়, ফেওয়া লেক বোটিং, সেতি নদীর গর্জ, গুপ্তেশ্বর গুহা, দেবীর ফলস, পোখারায় রাত্রিযাপন।
দিন ৪: পোখারা থেকে কাঠমান্ডু – থামেলে সন্ধ্যা
সকাল ৭টায় কাঠমান্ডুর উদ্দেশে যাত্রা, থামেলের জমজমাট রাস্তায় অবসর সময়, কাঠমান্ডুতে রাত্রিযাপন।
দিন ৫: কাঠমান্ডু – ভক্তপুর – নাগরকোট
নাগরকোটের পথে রানী ঝুলা (ঐতিহ্যবাহী সাসপেনশন ব্রিজ) ও ভক্তপুর দরবার স্কয়ার দর্শন, নাগরকোটে পৌঁছে হিমালয়ের সূর্যাস্ত উপভোগ, নাগরকোটে রাত্রিযাপন।
দিন ৬: সূর্যোদয় দর্শন – প্রস্থান
হোটেল রুম বা ছাদ থেকে হিমালয়ের সূর্যোদয় দর্শন, নাস্তার পর চেক-আউট, ফ্লাইটের ৩ ঘণ্টা আগে বিমানবন্দরে ট্রান্সফার।
অন্তর্ভুক্ত
- এয়ারপোর্ট পিকআপ/ড্রপ, খাদা/মালা অভ্যর্থনা
- ২ রাত কাঠমান্ডু + ২ রাত পোখারা + ১ রাত নাগরকোট (নাস্তাসহ)
- বাস স্টেশন পিকআপ/ড্রপ, কাঠমান্ডু-পোখারা-কাঠমান্ডু ট্যুরিস্ট বাস
- কাঠমান্ডু-নাগরকোট-কাঠমান্ডু প্রাইভেট কার
বহির্ভূত
- এয়ার টিকেট
- প্রবেশ ফি ও অ্যাক্টিভিটি চার্জ
- প্যাকেজের বাইরের খাবার
- ব্যক্তিগত ও বিলাসবহুল খরচ
সম্পূর্ণ ভ্রমণসূচি দেখুন
দিন ১: কাঠমান্ডু আগমন
বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা, হোটেলে চেক-ইন, ট্যুর কনসালট্যান্টের সাথে ব্রিফিং, স্বাধীন সময় কাটানো, কাঠমান্ডুতে রাত্রিযাপন।
দিন ২: কাঠমান্ডু থেকে পোখারা (চন্দ্রগিরি হিলস হয়ে)
সকাল ৮টায় নাস্তার পর পোখারার পথে যাত্রা (রাস্তা নির্মাণাধীন থাকায় ৭–৯ ঘণ্টা লাগতে পারে), লেকসাইডে সন্ধ্যা উপভোগ, পোখারায় রাত্রিযাপন।
দিন ৩: পোখারা – সারাংকোট – ঘানদ্রুক
নাস্তার পর সারাংকোট হয়ে জিপে ঘানদ্রুক যাত্রা (২–৩ ঘণ্টা) — আনাপূর্ণা অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী গুরুং গ্রাম, প্যানোরামিক পাহাড়ি দৃশ্য ও গ্রামীণ জীবনযাত্রার অভিজ্ঞতা, ঘানদ্রুকে রাত্রিযাপন (থাকার ব্যবস্থা সাধারণ মানের)।
দিন ৪: ঘানদ্রুক থেকে পোখারা – সাইটসিয়িং
সকালের পাহাড়ি দৃশ্য উপভোগ, পোখারায় ফিরে ফেওয়া লেক বোটিং (তাল বারাহি মন্দির), সেতি গর্জ, গুপ্তেশ্বর মহাদেব গুহা, দেবীর ফলস দর্শন, পোখারায় রাত্রিযাপন।
দিন ৫: পোখারা থেকে কাঠমান্ডু
নাস্তার পর কাঠমান্ডু ফেরা (৭–৮ ঘণ্টা), সন্ধ্যায় থামেলে স্থানীয় বাজার ও রেস্তোরাঁ ঘুরে দেখা, কাঠমান্ডুতে রাত্রিযাপন।
দিন ৬: প্রস্থান
নাস্তার পর ফ্লাইটের অন্তত ৩ ঘণ্টা আগে বিমানবন্দরে ট্রান্সফার — ট্যুর সমাপ্তি।
অন্তর্ভুক্ত
- এয়ারপোর্ট পিকআপ/ড্রপ, খাদা/মালা অভ্যর্থনা
- ২ রাত কাঠমান্ডু + ২ রাত পোখারা + ১ রাত ঘানদ্রুক (নাস্তাসহ)
- প্রাইভেট গাড়িতে সব সাইটসিয়িং/অ্যাক্টিভিটি, চালক-গাইড
- ACAP পারমিট, ঘানদ্রুক ট্যুর মাহিন্দ্রা স্করপিও জিপে
বহির্ভূত
- এয়ারফেয়ার
- প্রবেশ ফি ও অ্যাক্টিভিটি চার্জ
- ফেওয়া বোটিং ও চন্দ্রগিরি কেবল কার টিকেট
- প্যাকেজের বাইরের খাবার, ব্যক্তিগত খরচ
সম্পূর্ণ ভ্রমণসূচি দেখুন
দিন ১: কাঠমান্ডু আগমন – সিটি ট্যুর
বিমানবন্দরে খাদা/মালাসহ অভ্যর্থনা, ব্রিফিং, কাঠমান্ডু দরবার স্কয়ার ও স্বয়ম্ভুনাথ স্তূপ দর্শন, কাঠমান্ডুতে রাত্রিযাপন।
দিন ২: কাঠমান্ডু থেকে পোখারা (ঐচ্ছিক চন্দ্রগিরি হিলস স্টপ)
সকালের নাস্তার পর পোখারার পথে যাত্রা (৮–৯ ঘণ্টা), অনুরোধ সাপেক্ষে চন্দ্রগিরি হিলসে কেবল কার স্টপ, পোখারা লেকসাইডে সন্ধ্যা, পোখারায় রাত্রিযাপন।
দিন ৩: পোখারা সূর্যোদয় ও হাফ-ডে সাইটসিয়িং
ভোর ৫টায় সারাংকোট ভিউপয়েন্টে আনাপূর্ণা রেঞ্জের সূর্যোদয়, ফেওয়া লেক ও বারাহি মন্দির, বিন্দাবাসিনী মন্দির, সেতি নদীর গর্জ, গুপ্তেশ্বর গুহা, দেবীর ফলস, পোখারায় রাত্রিযাপন।
দিন ৪: পোখারা থেকে চিতওয়ান – গ্রাম ভ্রমণ ও সূর্যাস্ত
নাস্তার পর চিতওয়ানের পথে যাত্রা (৫–৬ ঘণ্টা), চেক-ইন, বাফার জোন ভিলেজ ট্যুর, রাপ্তি নদীর তীরে সূর্যাস্ত উপভোগ, চিতওয়ানে রাত্রিযাপন (দুপুর ও রাতের খাবারসহ)।
দিন ৫: চিতওয়ান জঙ্গল সাফারি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
ক্যানো রাইড (কুমির ও পাখি দর্শন), নেচার ওয়াক, রিসোর্টে লাঞ্চ, জিপ সাফারি — চিতওয়ান ন্যাশনাল পার্কে গণ্ডার, হরিণ, চিতাবাঘ ও সম্ভাব্য রয়েল বেঙ্গল টাইগার দর্শন, সন্ধ্যায় থারু সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, চিতওয়ানে রাত্রিযাপন।
দিন ৬: চিতওয়ান থেকে কাঠমান্ডু – থামেলে অবসর
নাস্তার পর কাঠমান্ডু ফেরা (~৫ ঘণ্টা), হোটেলে চেক-ইন, সন্ধ্যায় থামেল ঘুরে দেখা, কাঠমান্ডুতে রাত্রিযাপন।
দিন ৭: প্রস্থান
স্বস্তির নাস্তা, শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা, ফ্লাইটের ৩ ঘণ্টা আগে বিমানবন্দরে ট্রান্সফার।
অন্তর্ভুক্ত
- ২ রাত কাঠমান্ডু + ২ রাত পোখারা (নাস্তাসহ) + ২ রাত চিতওয়ান (সকাল-দুপুর-রাতের খাবারসহ)
- চিতওয়ান জঙ্গল সাফারি ও সব অ্যাক্টিভিটি
- প্রাইভেট গাড়িতে সব গ্রাউন্ড ট্রান্সফার ও সাইটসিয়িং
- এয়ারপোর্ট ট্রান্সফার ও ট্যুর সহায়তা
বহির্ভূত
- এয়ার টিকেট
- স্মৃতিসৌধ/সাইট প্রবেশ ফি
- ট্যুর গাইড (চিতওয়ান ব্যতীত)
- চন্দ্রগিরি হিলস কেবল কার চার্জ, দুপুর-রাতের খাবার (চিতওয়ান ব্যতীত)
সম্পূর্ণ ভ্রমণসূচি দেখুন
দিন ১: কাঠমান্ডু আগমন – নাগরকোট স্থানান্তর
বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা ও ব্রিফিং, প্রাইভেট গাড়িতে নাগরকোট যাত্রা, হিমালয়ের সূর্যাস্ত ও প্যানোরামিক পাহাড়ি দৃশ্য উপভোগ, নাগরকোটে রাত্রিযাপন।
দিন ২: নাগরকোট – চন্দ্রগিরি হিল হয়ে পোখারা
ভোরের সূর্যোদয় দর্শন, সকাল ৮:৩০টায় চন্দ্রগিরি হিল হয়ে পোখারার পথে যাত্রা (৮–৯ ঘণ্টা), সন্ধ্যায় লেকসাইড নাইটলাইফ উপভোগ, পোখারায় রাত্রিযাপন।
দিন ৩: পোখারা সাইটসিয়িং ও সারাংকোট সূর্যোদয়
ভোর ৫:৩০টায় সারাংকোটে আনাপূর্ণা রেঞ্জের সূর্যোদয়, নাস্তার পর সকাল ১০টায় সাইটসিয়িং শুরু — ফেওয়া লেক বোটিং (তাল বারাহি মন্দির), সেতি গর্জ, গুপ্তেশ্বর গুহা, দেবীর ফলস, পোখারায় রাত্রিযাপন।
দিন ৪: কাঠমান্ডুতে ফিরে আসা
নাস্তার পর (সকাল ৮টা) কাঠমান্ডু ফেরা (৮–৯ ঘণ্টা), সন্ধ্যায় থামেলের নাইটলাইফ ও স্থানীয় শপিং, কাঠমান্ডুতে রাত্রিযাপন।
দিন ৫: কাঠমান্ডু সাইটসিয়িং
সকাল ৯টায় সাইটসিয়িং শুরু — স্বয়ম্ভুনাথ স্তূপ (মাংকি টেম্পল), কাঠমান্ডু দরবার স্কয়ার, সন্ধ্যায় থামেলে স্বাধীন সময়, কাঠমান্ডুতে রাত্রিযাপন।
দিন ৬: কাঠমান্ডুতে অবসর দিন
নাস্তার পর থামেল মার্কেট নিজে ঘুরে দেখা ও কেনাকাটা, কাঠমান্ডুতে রাত্রিযাপন।
দিন ৭: প্রস্থান
শান্ত সকাল ও নাস্তা, ফ্লাইটের ৩ ঘণ্টা আগে বিমানবন্দরে ট্রান্সফার।
অন্তর্ভুক্ত
- এয়ারপোর্ট পিকআপ/ড্রপ, খাদা/মালা অভ্যর্থনা
- ৩ রাত কাঠমান্ডু + ১ রাত নাগরকোট + ২ রাত পোখারা (ডাবল শেয়ারিং, নাস্তাসহ)
- ইটিনারারি অনুযায়ী সব সাইটসিয়িং প্রাইভেট গাড়িতে
- কাঠমান্ডু-নাগরকোট-পোখারা-কাঠমান্ডু প্রাইভেট ভেহিকেল
বহির্ভূত
- আন্তর্জাতিক এয়ারফেয়ার
- প্রবেশ ফি ও অ্যাক্টিভিটি চার্জ
- চন্দ্রগিরি হিল কেবল কার টিকেট
- প্যাকেজের বাইরের খাবার, ব্যক্তিগত ও বিলাসবহুল খরচ
সম্পূর্ণ ভ্রমণসূচি দেখুন
দিন ১: আগমন – ভক্তপুর হয়ে নাগরকোট
বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা, ভক্তপুর দরবার স্কয়ার হয়ে নাগরকোট যাত্রা, হোটেলে চেক-ইন ও অবসর সময়, নাগরকোটে রাত্রিযাপন।
দিন ২: সূর্যোদয় – চন্দ্রগিরি হিলস হয়ে পোখারা
ভোরের সূর্যোদয়, সকাল ৮:৩০টায় চন্দ্রগিরি হিলস হয়ে পোখারার পথে যাত্রা (৮–৯ ঘণ্টা), সন্ধ্যায় লেকসাইড নাইটলাইফ, পোখারায় রাত্রিযাপন।
দিন ৩: সারাংকোট সূর্যোদয় ও পোখারা সাইটসিয়িং
ভোর ৫:৩০টায় সারাংকোটে আনাপূর্ণা রেঞ্জের সূর্যোদয়, নাস্তার পর সকাল ১০টায় সাইটসিয়িং — ফেওয়া লেক বোটিং, সেতি গর্জ, গুপ্তেশ্বর গুহা, দেবীর ফলস, পোখারায় রাত্রিযাপন।
দিন ৪: ফ্রি ডে — অতিরিক্ত অ্যাক্টিভিটি (গাড়ি অন্তর্ভুক্ত নয়)
ঐচ্ছিক প্যারাগ্লাইডিং, বাঞ্জি জাম্প, জিপলাইন, হট এয়ার বেলুন (নিজ খরচে), পোখারায় রাত্রিযাপন।
দিন ৫: পোখারা থেকে কাঠমান্ডু
সকাল ৭টায় নাস্তার পর কাঠমান্ডু ফেরা (৮–৯ ঘণ্টা), সন্ধ্যায় থামেলের নাইটলাইফ উপভোগ, কাঠমান্ডুতে রাত্রিযাপন।
দিন ৬: কাঠমান্ডু সাইটসিয়িং
সকাল ৯টায় স্বয়ম্ভুনাথ স্তূপ ও কাঠমান্ডু দরবার স্কয়ার দর্শন, সন্ধ্যায় থামেলে অবসর সময়, কাঠমান্ডুতে রাত্রিযাপন।
দিন ৭: অবসর দিন — থামেল মার্কেট
নাস্তার পর নিজের মতো থামেল মার্কেট ঘুরে দেখা ও কেনাকাটা, কাঠমান্ডুতে রাত্রিযাপন।
দিন ৮: প্রস্থান
শান্ত সকাল ও নাস্তা, ফ্লাইটের ৩ ঘণ্টা আগে বিমানবন্দরে ট্রান্সফার।
অন্তর্ভুক্ত
- এয়ারপোর্ট পিকআপ/ড্রপ, খাদা/মালা অভ্যর্থনা
- ৩ রাত কাঠমান্ডু + ১ রাত নাগরকোট + ৩ রাত পোখারা (ডাবল শেয়ারিং, নাস্তাসহ)
- ইটিনারারি অনুযায়ী সব সাইটসিয়িং/অ্যাক্টিভিটি প্রাইভেট গাড়িতে
- কাঠমান্ডু-নাগরকোট-পোখারা-কাঠমান্ডু প্রাইভেট ভেহিকেল
বহির্ভূত
- আন্তর্জাতিক এয়ারফেয়ার
- প্রবেশ ফি ও অ্যাক্টিভিটি চার্জ (দিন ৪-এর অ্যাডভেঞ্চার অ্যাক্টিভিটিসহ)
- চন্দ্রগিরি হিলস কেবল কার টিকেট
- প্যাকেজের বাইরের খাবার, ব্যক্তিগত ও বিলাসবহুল খরচ
Best Fly Tours and Travels
📞 বুকিং ও বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন

Post a Comment